সাজগোজের আকর্ষনীয় কিছু টিপস! সাজগোজ করা যায় কিভাবে ?

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাজগোজের আকর্ষনীয় কিছু টিপস : সাজগোজ করতে কে না পছন্দ করে। নিজেকে অন্যদের সামনে কিভাবে সুন্দর ও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরবেন তা জানতে আমাদের সাথে থাকুন । আমরা আজকের আর্টিকেলে জানবো সাজগোজ করার নিয়ম।

যেমন :
* মেকআপ করার পদ্ধতি,
*বাঁধা চুলের স্টাইল,
*চুল না বেঁধে স্টাইল সহ আরও কিছু টিপস রয়েছে।

* মেকআপ করার পদ্ধতি
প্রথমেই ফাউনেডশনের ব্যবহারকরবেন যেভাবে : ফাউন্ডেশন সব সময় একটা স্পঞ্জে লাগিয়ে ব্যবহার করবেন। তবে আঠারো বছরের কম অর্থাৎ কিশোরীদের জন্য গাউন্ডেশন জরুরি নয়। বেবি লোশন অথবা কমপ্যাক্ট পাউডারই যথেষ্ট। ফাউন্ডডেশন ব্যবহারের আগে ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিস্কার করে ফাউন্ডেশন লাগান। গাউন্ডেশন যে কেবল মেকআপ করার আগে ব্যবহার করবেন তা কিন্তু নয়, মেকআপের পর স্পঞ্জে লাগানো ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে পারেন। এতে মুখের অতিরিক্ত প্রসাধন শুষে নেবে।

১। মুখে বেশিক্ষণ মেকআপ ধরে রাখতে চাইলে একটা রাবারের গ্লাভসের মধ্যে বরফের টুকরা ভরে সেটা মুখের উপর বুলিয়ে নিন। ঠোঁট ও চোখের উপর একটু বেশিক্ষণ বরফের গ্লাভস ধরে রাখবেন।

২। প্রসাধনের পরে নরম ব্রাশ আলতো করে মুখে বুলিয়ে নিন। এতে মুখে লেগে থাকা অতিরিক্ত প্রসাধন মুছে প্রসাধনের সমতা আনবে।

৩। মুখে পশম বেশি হলে পাউডার বেশি লাগবেন না। এতে মুখের লোম আরও পরিস্কার ভাবে দেখা যাবে। মুখে লাগাবেন ময়েশ্চারাইজার যুক্ত ফাউন্ডেশন।

৪। মুখের কোন অংশ যদি বেশি উঁচু (যেমন—নাক, গালের হাড়, চিবুক) হয় সেক্ষেত্রে আপনি সে অংশে ফাউন্ডেশনের উপরে রঙহীন স্বচ্ছ পাউডার অথবা সাদা হাই—লাইটার লাগাতে পারেন।

৫। যাদের মুখ সরু ও লম্বাটে তারা যদি মুখে ভরাটভাবে আনতে চান তাহলে গালের হাড়ের উপর ব্লাশার লাগিয়ে তার উপরেল ব্রাশে সাদা হাই—লাইটার নিয়ে মুখে আলতো করে বুলিয়ে নেবেন।

৬। গায়ের রঙ ও পোশাকের রঙের উপর ভিত্তি করে মুখের মেকআপ করবেন। ধরুন আপনি যদি ফর্সা হোন এবং আপনার গোলাপী ব্লাশার তো লাগাবেনই সঙ্গে ফাউন্ডেশনও লাগাবেন হালকা গোলাপী শ্যাডের।

৭। লিপস্টিকের রঙ যেমন পছন্দ করবেন পোশাক অনুযায়ী, তেমনই মুখেও সেই রঙের আভা রাখবেন। এর জন্য লিপস্টিকের একটা ভিন্ন ব্যবহার আছে। লিপস্টিকের সঙ্গে একটু বেবি অয়েল বা ক্রিম মিশিয়ে চিবুক টিপটিপ করে লাগিয়ে আঙ্গুলের ডগা দিয়ে মিশিয়ে দিন।

৮। যাদের কপাল বড় তারা ছোট দেখানোর জন্য গাঢ় রঙের ফাউন্ডেশন কপালের উপর চুলে রেখা বরাবর লাগান। ঠিক একইভাবে যাদের কপাল বড় তারা কপালে হালকা রঙের গাউন্ডেশন চুলের রেখা বরাবর লাগিয়ে নিন।

৯। মুখে মেকআপ করার পরও যদি দেখেন মুখে ক্লান্তিভাব থেকে গেছে তাহলে পাতলা কাপড় বা তুলায় বরফের টুকরা নিয়ে মুখের আলতো করে বুলিয়ে নিন।

১০। কেবল মুখ পরিস্কার করলেই হবে না, যা দিয়ে মুখ পরিস্কার করবেন সেই জিনিসগুলো পরিস্কার রাখতে হবে। যেমন—তোয়ালে ।

বাধা চুলের স্টাইল

বাধা চুলের স্টাইল :
চুল বাধার খুব সহজ । প্রথমে চুল সুন্দর করে আচড়ে নিন পরে কাটা বেন দিয়ে চুল মড়িয়ে আটকে দিন । যদি সামনের চুল লেয়ার কার্ট করা থাকে তাহলে ছোট ছোট মৌ দিয়ে আটকে দিন ।চুলকে কয়েকেটি ভাগে ভাগ করে নিন এরপরে চুল লম্বা টান টান করে ফ্রেন্স বেনী করে ক্লীপ, কাঁটা দিয়ে আটকে নিন।

চুল না বাধার স্টাইল

চুল না বাধার স্টাইল : এখনকার তরুনীরা অনেকেই চুল বাধা পছন্দ করে না।ঝলমলে ও শাইনিং চুল রাখতে পছন্দ করে। আর ঝলমলে ও শানিং করতে এলোবেরা , তৈল, ব্লা—ড্রাই করে শাইনিং সেরাম দিন চুলে। তারপর আয়রণ করে নিলে হয়ে গেল ঝকঝকে মসৃণ চুল।শাইনিং শাইনিং চুল পেতে পার্টির এক দিন আগে শ্যাম্পু করতে হবে এজন্য।
শ্যাম্পু, কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ব্লো—ড্রাই করলে চুলে বেশ ভরাটে ভাব আসবে।আর এভাবে চুল না বেধে স্টাল করা যাবে।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সাজগোজ
জমকালো অনুষ্ঠানের সাজসজ্জা নিয়ে তরুনী বিপাকে পড়ে যান ।কারণ জমকালো অনুষ্ঠান মানেই হলো শাড়ী। আর এই শাড়ী অনেক সময় অসস্ত্বীকর হয়ে পড়ে । সেক্ষেত্রে ভারীক্কী শাড়ী হয়ে উঠে বেমানান। তাদের বিকল্প চয়েজ হতে পারে সালোয়ার—কামিজ। তবে তা হওয়া উচিৎ জঁমকালো, দৃষ্টিনন্দন ও শালীন পোশাক।

কামিজ হবে স্টাইলিষ্ট যেমন কাট ছাট ডিজাইনার কাজকরা। সালোয়ার ধুতি স্টাইল, চুড়িদার, প্লাজু । সুতির কাপড়ে চুড়িদার সালোয়ার বেশ ভালো হয়। ভাঁজগুলো খুব সুন্দরভাবে বোঝা যায়, এখনকার দিনে সেমিশর্ট কামিজটাই বেশি চলে। এর সাথে মানানসই থ্রি—কোয়ার্টার হাতা। তবে পাতলা নেট বা শিফনের চুড়িদার হাতা কামিজও ভালোলাগে চুড়িদার স্টাইলের সালোয়ারের সাথে।

আজকের আর্টিকেল বিষয় সাজগোজের আকর্ষনীয় কিছু টিপস! সাজগোজ করা যায় কিভাবে ? আশা করি, আপনাদের ভাল লেগেছে প্রত্যেকটি পরামর্শ আপনার কাজে আসবে । আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.